Latest Releases

Sunday, 19 November 2017

যে ধরণের বুকের ব্যথায় গুরুত্ব দিবেন এবং চিকিৎসা নিবেন


বুকের বাঁ দিকে চিনচিনে ব্যথা করলেই দুশ্চিন্তা হয়। হৃদ্যন্ত্র বা হার্টে সমস্যা হয়ে গেল না তো? আজকাল কত অল্প বয়সেই লোকজনের হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে! হৃদ্রোগ ছাড়াও ফুসফুস, পাঁজরের হাড় ও মাংসপেশি, পাকস্থলীর সমস্যা এবং মানসিক জটিলতার কারণেও বুকে ব্যথা হতে পারে।

সমস্যাটি মোটেও হালকাভাবে নেবেন না। তাই মাঝে মধ্যে বুকে হালকা ব্যথা হলেও গভীরভাবে খেয়াল করুন, এর ধরনটা কেমন। প্রয়োজনে হৃদ্যন্ত্রের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হবে। হৃদ্রোগজনিত বুকে ব্যথার ধরন:
১. সাধারণত বুকের মাঝখানে বা একটু বাঁ দিকে বেশ খানিকটাজুড়ে ব্যথা অনুভূত হয়। মনে হয় ব্যথাটা যেন চেপে বসেছে বা জমাট হয়ে আছে। কারও কারও মনে হতে পারে, বুকটা মুচড়ে যাচ্ছে বা পুড়ে যাচ্ছে।
২. ব্যথাটা বুক ছাড়াও ঘাড়, কাঁধ, চোয়াল, বাম হাত বা পিঠের দিকেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
৩. ভারী পরিশ্রম, হাঁটা-চলা, সিঁড়ি ভাঙা, দৌড়ঝাঁপ ইত্যাদি কারণে ব্যথা শুরু হতে পারে বা বাড়তে পারে। ভারী খাওয়াদাওয়া, খুব ঠান্ডা আবহাওয়া বা অধিক উত্তেজনার কারণেও বুকে ব্যথা হতে পারে।
৪. খানিকটা বিশ্রাম নিলে বা নাইট্রোগ্লিসারিন স্প্রে ব্যবহার করলে ব্যথা অনেকটাই কমে যায় ও আরাম মেলে।
৫. ব্যথার পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড়ানি, দুর্বলতা, দমবন্ধ হয়ে আসার মতো অনুভূতি হতে পারে।
স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ওজন, ধূমপান, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং রক্তে বাড়তি চর্বি প্রভৃতি সমস্যায় হৃদ্রোগের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। হৃদ্রোগের পারিবারিক ইতিহাস থাকলেও আপনার ঝুঁকি রয়েছে।
এ রকম ক্ষেত্রে বুকে ব্যথাকে গুরুত্ব দিতে হবে। ওজন কমান, উপরিউক্ত সমস্যাগুলোর চিকিৎসা নিন, ধূমপান বর্জন করুন। চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করুন, হালকা শারীরিক পরিশ্রম বা হাঁটা শুরু করুন। হৃদ্রোগ আছে কি না, পরখ করে নিন।
Read »

রক্তচাপ নিয়ে আমাদের কিছু ভুল ধারণা


রক্তকে ভালোভাবে শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে দেয় হৃৎপিণ্ড, সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে। সংকোচন ও প্রসারণের সময়, রক্তনালির মধ্য দিয়ে রক্ত যাওয়ার সময়, শিরার ভেতরে এক ধরনের চাপ দেয়। একে আমরা রক্তচাপ বলি।

রক্তচাপ দুই প্রকার : উচ্চ রক্তচাপ (হাই ব্লাড প্রেসার) ও নিম্ন রক্তচাপ (লো ব্লাড প্রেসার)। উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগ, হার্ট ফেইলিউর, স্ট্রোক, কিডনি ফেইলিউর ইত্যাদি সমস্যা তৈরি করতে পারে। রক্তচাপ নিয়ে কিছু ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথগ্রেডস জানিয়েছে এই ভুলগুলোর কথা।
১. ভুল : লো প্রেশার (নিম্ন রক্তচাপ) সব সময় ভালো। নিম্ন রক্তচাপ নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই।
সঠিক : নিম্ন রক্তচাপ অথবা হাইপোটেনশন কিছু লক্ষণ নিয়ে আসে। অবসন্নভাব, তন্দ্রাভাব, মাথা ঘোরানো ইত্যাদি নিম্ন রক্তচাপের লক্ষণ। সঠিক সময়ে চিকিৎসা করা না হলে এই সমস্যাগুলো চলতেই থাকে এবং শারীরিক দুর্বলতা তৈরি করতে পারে। তবে এটা সত্যি যে নিম্ন রক্তচাপ কিছু লোকের জন্য স্বাভাবিক।
২. ভুল : অনেকে মনে করেন চল্লিশের আগে রক্তচাপ পরীক্ষা করতে হয় না।
সঠিক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রিভেনটিভ সার্ভিস টাস্ক ফোর্সের মত অনুসারে, ১৮ বছর থেকেই উচ্চ রক্তচাপ পরীক্ষা করতে হয়।
৩. ভুল : অনেকে মনে করেন আমার তো কোনো লক্ষণ নেই, তাহলে উচ্চ রক্তচাপ হবে কেন? স্নায়ুবিক দুর্বলতা, ঘাম, ঘুমের সমস্যা- এগুলোই উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ।
সঠিক : সত্য হলো উচ্চ রক্তচাপ অনেক সময় কোনো লক্ষণ প্রকাশ করে না। এমনকি অনেকে জানেনই না তার উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। রক্তচাপের পরীক্ষা করার সময় হয়তো বিষয়টি ধরা পড়ে।
৪. ভুল : কোলেস্টেরল বেশি থাকলে উচ্চ রক্তচাপ হয়।
সঠিক : অনেকেরই অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য কোলেস্টেরল হতে পারে। তবে উচ্চ রক্তচাপ না থাকলেও উচ্চ মাত্রায় বাজে কোলেস্টেরল থাকতে পারে।
৫. ভুল : কেবল পুরুষদেরই উচ্চ রক্তচাপ হয়।
সঠিক : কেবল পুরুষদেই নয় নারীদেরও উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যাদের বাড়তি ওজনের সমস্যা রয়েছে, যারা জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধ খায়, গর্ভবতী, বংশে উচ্চ রক্তচাপের নজির রয়েছে বা মেনোপোজ হয়েছে তাদের এই সমস্যা হতে পারে।
Read »

ঠাণ্ডায় কান ব্যথা! ভয়ের কিছু নেই মেনে চলুন এই নিয়ম গুলো


শীতকালে হঠাৎ কান ব্যথা শুরু হওয়া বিরল নয়। বিশেষ করে ঠান্ডা লাগলে শিশুদের হঠাৎ কান ব্যথা শুরু হতে পারে। এ নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। চাই কিছু সাবধানতা।

এ সময় বেশির ভাগ কান ব্যথা ঠান্ডাজনিত। তাই ঠান্ডা লাগাবেন না। ঘর গরম রাখুন। ভোরে ও সন্ধ্যায় কয়েক প্রস্থ কাপড় পরুন। প্রয়োজনে হালকা গরম পানি পান করুন।
কান ব্যথা হলে সবচেয়ে সহজ চিকিৎসা হলো কানের পেছনে গরম সেঁক দেওয়া। এক টুকরা পরিষ্কার কাপড় গরম পানিতে চুবিয়ে বা ইস্তিরিতে গরম করে কান ও তার পেছনে সেঁক দিন। যথেষ্ট আরাম পাবেন।
সাধারণ প্যারাসিটামল বা ব্যথার ওষুধ খেতে পারেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক দরকার হবে না। কান বন্ধ থাকলে নাকে এন্টি হিস্টামিন ড্রপ দিতে পারেন।
ধূমপান ও ধোঁয়া থেকে দূরে থাকুন। এ সময় জীবাণুর আক্রমণ থেকে রেহাই পেতে হাত পরিষ্কার রাখুন। বাইরে থেকে এসে হাত ধুয়ে নেবেন।
শিশুদের কানে ব্যথা প্রচণ্ড হলে ড্রপ ব্যবহার করতে হতে পারে। কানে সংক্রমণ হলে অ্যান্টিবায়োটিকও লাগতে পারে। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
কান ব্যথার জন্য কানে গরম তেল বা অন্য কোনো তরল ব্যবহার করা যাবে না।
শিশুদের গোসল করানোর সময় কানে তুলা দিতে পারেন।
Read »

যে ৫টি লক্ষণ দেখে বুঝবেন পিত্তথলিতে পাথর হয়েছে!


গলব্লাডার বা পিত্তথলির পাথর খুবই পরিচিত একটি রোগ। অনেকে একে গলস্টোনও বলে থাকেন। বেশিরভাগ গলস্টোনই কোলেস্টেরল জমে তৈরি হয়। খুব বেশি কোলেস্টেরল আছে এমন কিছু খাওয়া গলস্টোন হওয়ার আশঙ্কাকে বাড়িয়ে দেয়।

তবে গলস্টোন বা পিত্তথলির পাথর কোন জটিল রোগ নয়। কিন্তু সময়মতো চিকিৎসা না করালে তা জটিল আকার ধারণ করে। অনেকেই বলে থাকেন, শুধুমাত্র ওষুধ সেবনে এই রোগ নিরাময় সম্ভব। এটা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা। সময়মত রোগনির্ণয় এবং চিকিৎসা করালেই এই রোগের সঠিক নিরাময় সম্ভব।

লক্ষণ সমূহ:

  • ১. পেটের ডানদিকে তীব্র ব্যথা (স্থায়িত্বকাল কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টা),
  • ২. ব্যথা ধীরে ধীরে পেছনে, ডান কাঁধে এবং মাঝ বরাবর ছড়িয়ে পড়া,
  • ৩. হালকা জ্বর থাকতে পারে,
  • ৪. বমি বা বমি ভাব থাকে,
  • ৫. জন্ডিস।

জটিলতা:

  • ১. পিত্তথলির প্রদাহ,
  • ২. পিত্তরস নিঃসরণে প্রতিবন্ধকতা,
  • ৩. জন্ডিস,
  • ৪. অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ,
  • ৫. পিত্তথলির ক্যান্সার।

চিকিৎসা:

রোগীর অবস্থার উপর নির্ভর করে চিকিৎসা পদ্ধতির ভিন্নতা লক্ষণীয়। সাধারণত তীব্র ব্যথা নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীকে প্রথমত ওষুধ দিয়ে ব্যথা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ডাক্তারি ভাষায় এক কনজারভেটিভ চিকিৎসা বলা হয়। রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল হলে সার্জারি করে পিত্ত পাথর অপসারণ করা হয়। সার্জারি দুইভাবে করা যায়।
১. ল্যাপারোস্কোপিক কোলেসিস্টেকটমি Laparoscopiccholecystectomy): ল্যাপারোস্কোপিক মেশিনের সাহায্যে পেট না কেটে ফুটো করে পাথর অপসারণ করা হয়। রোগী সাধারণত অপরেশনের পরে দ্বিতীয় দিনেই বাড়ি যেতে পারে এবং প্রাত্যহিক কাজ করতে পারে।
২. উন্মুক্ত কোলেসিস্টেকটমি(open cholecystectomy): রোগ যখন জটিল আকার ধারণ করে তখন এই অপারেশন করা হয়। পেট কেটে পিত্তথলিসহ পাথর বের করে আনা হয়। এই নমুনা হিস্টোপ্যাথলজি পরীক্ষার জন্য ল্যাবোরেটরিতে পাঠানো হয়। কেননা শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে পিত্তথলির ক্যান্সারেই পাথর হয়ে থাকে।
Read »

Wednesday, 8 November 2017

বিষণ্ণতা কাটাতে হলুদ-লেবু


বিষণ্ণতা মনের সব আনন্দকে নষ্ট করে দেয়। অনেক সময় অজানা কারণেই বিষণ্ণতা হয়, আবার বেশ গুরুতর কারণেও বিষণ্ণতা হতে পারে। উদ্বেগ, মন খারাপ থাকা, দুঃখ, অপরাধবোধ, অবসন্নতা, শক্তিহীনতা, ঘুমের অসুবিধা ইত্যাদি বিষণ্ণতা শুরুর লক্ষণ।
যাঁরা হালকা বিষণ্ণতা বা মাইল্ড ডিপ্রেশনে ভুগছেন, তাঁদের সমস্যা কমাতে হলুদ-লেবুর মিশ্রণ হতে পারে চমৎকার ঘরোয়া উপাদান। তবে মিশ্রণটি খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আর যদি এসব উপাদানের কোনোটিতে আপনার অ্যালার্জি থাকে, তবে না খাওয়াই ভালো।
জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে হলুদ-লেবুর মিশ্রণের এই প্রণালি।
উপাদান
  • একটি কমলার রস
  • চার টেবিল চামচ মধু
  • দুটি লেবু
  • চার কাপ পানি
  • দুই চা চামচ হলুদের গুঁড়া
যেভাবে তৈরি করবেন
সব উপাদানকে একত্রে ব্ল্যান্ড করুন। প্রতিদিন একবার করে সাত দিন পান করুন।
কেন হলুদ?
হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান। এটি বিষণ্ণতার বিরুদ্ধে কাজ করে, হৃদরোগ প্রতিরোধ করে, জ্ঞানীয় (কগনেটিভ) কার্যক্রম ভালো রাখে।
কারকিউমিন
কারকিউমিন হলুদের মধ্যে থাকা একটি উপাদান। এটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়, কারকিউমিন বিষণ্ণতা কমাতে কাজ করে। এ ছাড়া কারকিউমিন মস্তিষ্কের কিছু এলাকার স্নায়ুর বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এটি প্রবীণদের আলঝেইমার রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।
ঝুঁকি
তবে যেসব রোগীর গল স্টোন রয়েছে, তাঁরা হলুদ এড়িয়ে চলুন। এ ছাড়া গর্ভবতী মাও হলুদ-লেবুর এই প্রণালি খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Read »

হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে যে সাত খাবার


আপনি কি জানেন, কিছু খাবার হৃদরোগ প্রতিরোধে কাজ করে? গবেষণায় বলা হয়, ৭০ ভাগ হৃদরোগ প্রতিরোধ হয় কেবল সঠিক খাবার নির্বাচনের মাধ্যমে। তাই হৃদরোগ প্রতিরোধে খাবারের বিষয়ে সচেতন হোন।
হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।
. স্যামন
স্যামন মাছের মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এ ছাড়া স্যামনের মধ্যে রয়েছে সেলেনিয়াম, আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে।
. সার্ডিন
এই মাছটিতে ওমেগা-৩ ভরপুর রয়েছে। এ ছাড়া কোলেস্টেরলের মাত্রা ভালোভাবে রয়েছে। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
. লিভার
লিভারের মধ্যে থাকা চর্বি হৃৎপিণ্ডের জন্য ভালো। এটি হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে এই খাবার খেতে পারেন।
. কাঠবাদাম
কাঠবাদামের মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এটি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।
. আপেল
আপেলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়া হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় এবং হৃৎপিণ্ডকে স্বাস্থ্যকর রাখে।
. গ্রিন টি
গ্রিন টির মধ্যে রয়েছে ক্যাটেচিন, ফ্লেবোনয়েডস ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো হৃৎপিণ্ডকে সুরক্ষিত রাখে। এটি রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।
. কালো চকলেট
কালো চকলেট উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লেভোনোলস। এটি আর্টারিকে শিথিল হতে সাহায্য করে, রক্তের সঞ্চালন বাড়ায়।
Read »

ডায়েট চকলেটের গুণ জানেন?


চকলেট খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ সাধারণত খুঁজে পাওয়া মুশকিল। শিশু তো বটেই, বড়রাও চকলেট খেতে পছন্দ করেন।
অনেকের ধারণা, চকলেট ওজন বাড়ায়। বাচ্চাদের খাবারের রুচি নষ্ট করে। তা ছাড়া দাঁতের গঠনও নষ্ট করে। আসলে সেটি ঠিক নয়। অনেক ক্ষেত্রে চকলেটের ভালো গুণ রয়েছে।
চকলেটের ভালো গুণ পেতে ডায়েট চকলেট খেতে পারেন। ডায়েট চকলেটটি যে কোকায়া গাছের বিচি থেকে তৈরি হয়, সেটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। ভালো মানের ডায়েট চকলেটে যথেষ্ট পরিমাণে আয়রন, কপার, আঁশ থাকে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়েট চকোলেট হৃদরোগের সমস্যা রোধ করে। এ ছাড়া ডায়েট চকলেট ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া মস্তিষ্কের কার্যক্রম ভালো রাখতেও ডায়েট চকলেট ভালো।  
তবে চকলেট খাওয়ার ক্ষেত্রে একটি জিনিস খেয়াল করতে হবে। যেহেতু ডায়েট চকলেট অনেক ক্যালোরিযুক্ত তাই নির্দিষ্ট পরিমাণে  খেতে হবে। ১০০ গ্রাম ডায়েট চকলেট থেকে প্রায় ৫০০ থেকে ৫৫০ ক্যালোরি পাওয়া যায়। তাই এটি অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে চাইলে সপ্তাহে চার থেকে পাঁচদিন অথবা প্রতিদিন একটি ছোট আকারের ডায়েট চকলেট দিতে পারেন। বড়রাও প্রতিদিন খেতে পারেন। তবে ২০ থেকে ২৫ গ্রামের ওপরে খাবেন না।  প্রতিদিন রাতের খাবারের পর ডেজার্ট হিসেবে ডায়েট চকলেট খেতে পারেন।
ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্যও কিন্তু সুখবর আছে। ডায়াবেটিস রোগীরা এই চকলেট খেতে পারেন। তবে ২০ গ্রামের বেশি নয়।  
আর ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও ডায়েট চকলেটের ভূমিকা রয়েছে।  এর মধ্যে ফ্লেবোনলস নামে যে অ্যান্টি অক্সিডেন্টটি রয়েছে, সেটি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ গ্রামের ছোট আকারের একটি ডায়েট চকলেট খেতে পারেন।
বাজারে বিভিন্ন ধরনের ডায়েট চকলেট পাওয়া যায়। তবে চকলেট কেনার সময় অবশ্যই খেয়াল করবেন এর মধ্যে যেন ৭০ ভাগ কোকোয়া আছে কি না।
Read »

ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে যে সাত খাবার


ব্যথা কমাতে আমরা ব্যথানাশক ওষুধ খাই। তবে জানেন কি, আপনার ঘরেই এমন কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো ব্যথানাশক হিসেবে চমৎকার কাজ করে। হ্যাঁ, কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো বিভিন্ন ব্যথা কমাতে বেশ উপকারী।
ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে এমন কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।
১. আদা
আদা ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে। পেশিব্যথা, জয়েন্ট ব্যথা, ফোলা ইত্যাদি কমাতে আদা বেশ উপকারী। এসব ব্যথা কমাতে গুঁড়া আদা বা কাঁচা আদা খেতে পারেন। এ ছাড়া রান্নায়ও আদা ব্যবহার করতে পারেন।
২. লবঙ্গ
দাঁতব্যথা ও মাড়ির প্রদাহ কমাতে লবঙ্গ বেশ উপকারী। আদিকাল থেকে লবঙ্গ এসব ব্যথা কমাতে ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে থাকা ইউজেনল উপাদান থাকার কারণে এটি দাঁতব্যথা কমায়। এসব ব্যথা কমাতে কয়েকটি লবঙ্গ চিবিয়ে খেতে পারেন।
৩. রসুন
কানব্যথায় ভুগছেন? দুই ফোঁটা রসুনের তেল দিনে দুবার করে পাঁচ দিন ব্যবহার করুন। এটি ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।
৪. মাছ
বদহজম, ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রম, ইনফ্লামেটোরি বাউয়েল ডিজিজ, পেটব্যথা ইত্যাদি কমাতে তৈলাক্ত মাছ খাওয়া বেশ উপকারী। এ ক্ষেত্রে  স্যামন, টুনা, সারডিনস ইত্যাদি খেতে পারেন।
৫. হলুদ
বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়, অ্যাসপিরিন, ইবাপ্রোফেন, ন্যাপ্রোক্সেন ইত্যাদি ব্যথানাশক ওষুধের চেয়েও অনেক সময় হলুদ ভালো কাজ করে। হলুদের মধ্যে রয়েছে কারকিউমিন নামক উপাদান। এটি ব্যথা কমাতে উপকারী।
৬. মধু
মুঘের ঘা কমাতে মধু একটি চমৎকার ব্যথানাশক উপাদান। তাই মুখের ঘা বা আলসারের সমস্যায় মধু ব্যবহার করতে পারেন।
৭. পানি
এক গ্লাস পানি পানের মধ্য দিয়ে দিন শুরু করুন। এটি পা, হাঁটু ও কাঁধব্যথা কমাতে সাহায্য করে। পানি শরীরের টিস্যুকে আর্দ্র রাখে।
Read »

Copyright © 2015 Health Tips

Designed by Templatezy & Copy Blogger Themes